পানিবাহিত রোগ হওয়ার আশঙ্কা!

মৌলভীবাজারে খোলা ‘সরবত’ বিক্রি হচ্ছে মাছ সংরক্ষণের বরফ দিয়ে!

রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯ | ১০:১৭ অপরাহ্ণ | 601

মৌলভীবাজারে খোলা ‘সরবত’ বিক্রি হচ্ছে মাছ সংরক্ষণের বরফ দিয়ে!

মৌলভীবাজার জেলায় বইছে তীব্র তাপদাহ।তীব্র তাপদাহের কারণে এখন চলছে জমজমাট শীতল শরবতের ব্যবসা। এক গ্লাস সরবত খাওয়ার জন্য শরবতের দোকানের চারপাশে ভিড় করে থাকেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। এ চিত্র মৌলভীবাজারে এখন প্রতিদিনের।রোদের তাপ তীব্র থাকায় মূহুর্তেই তৃষ্ণার্ত হচ্ছে মানুষ।

অসহনীয় গরমে একটু শান্তির ছোঁয়া পেতে মৌলভীবাজার জেলা শহ বিভিন্ন উপজেলায় ভিড় জমাচ্ছেন সড়কের বিভিন্ন মোড়ের ভ্রাম্যমাণ শরবতের দোকানগুলোতে।



জেলার কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল,রাজনগর, বড়লেখা, জুড়ীসহ প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় ভ্রাম্যমাণ ভ্যানের ওপর সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ ও উপকরণের বরফ মেশানো শরবত। রকম ভেদে প্রতি গ্লাস শরবত ৫, ১০, ১৫ ও স্পেশাল ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
শরবতের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, শরীর ঠান্ডা রাখার নানা উপকরণ মিশিয়ে শরবতে ভিন্ন স্বাদ আনার চেষ্টা করছেন দোকানিরা। যেমন বেল, ইসবগুলের ভূষি, হরিতকির রস, ঘৃতকুমারী পাতার রস ও গুড় একসঙ্গে মিশিয়ে নানান স্বাদে তৈরি হচ্ছে শরবত।

এদিকে গরমে ক্ষণিকের স্বস্তি মিললেও সড়কের খোলা পরিবেশে তৈরি শরবতের প্রায় সিংহভাগই স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে দাবি করছেন চিকিৎসকরা।

কুলাউড়া উপজেলার ব্যবসায়ী হারিছ মিয়া অভিযোগ করেন, ক্ষণিকের জন্য এই শরবতগুলো আরাম ও স্বস্তিদায়ক হয়। কিন্তু শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত বরফের সিংহভাগই বরফকল থেকে আনা মাছ সংরক্ষণের জন্যে তৈরি বরফ। তবে শরবত বিক্রেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার বরফই তারা শরবত তৈরিতে ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে খোলা শরবত পান প্রসঙ্গে চিকিৎসকরা বলছেন, খোলা পরিবেশে শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক উপকরণ হরিতকি কিংবা বেলের বা লেবু সঠিক খাদ্যগুণ থাকে না। তাছাড়া অপরিচ্ছন্ন হাত ও গ্লাসে পরিবেশিত শরবত পানে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com