বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক-২০২৬’ কুলাউড়ার সেলিম আহমদ নির্বাচিত  এমপি গাজী নজরুলের সাথে থাকা সেই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার এবার লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বরুণ চক্রবর্তী ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার জগন্নাথপুরে গৃহবধূ ও কমলগঞ্জে যুবকের ‘আত্মহত্যা’ কুলাউড়ায় মৈন্তাম স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা মোবাইল ফোনে প্রেম, বিয়ের দাবিতে প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অবস্থান এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্যই ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত: রুমিন ফারহানা এমপি ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের
Advertise with us

ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং, অতিষ্ঠ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং, অতিষ্ঠ মানুষ

মাঝে কয়েকদিন কিছুটা কমলেও সিলেটে ফের শুরু হয়েছে অসহনীয় বিদ্যুৎ বিভ্রাট। প্রায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হচ্ছে নগর এলাকায়। গ্রামাঞ্চলের অবস্থা তো আরও খারাপ। দিনের অর্ধেক সময়ও বিদ্যুৎ মিলছে না।

একে তো অসহনীয় লোডশেডিং, তারউপর তীব্র গরম। ফলে একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মানুষজন। রোববার থেকেই শুরু হয়েছে তীব্র গরম। রোববার থেকে বেড়েছে লোডশেডিংও। সোমবারও গরম ও লোডশেডিং দুটোই অব্যাহত ছিল।

বিদ্যুতের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রোববার রাতে সিলেট সদর উপজেলার টুকের বাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, তীব্র গরমের মধ্যেও ঘণ্টার পার ঘণ্টা লোডশেডিং করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে রোববার থেকে সোমবার সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরদিকে, সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সিলেটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সোমবার সকাল থেকেই তীব্র রোদ ছিল সিলেটে। সকাল থেকে ছিল তীব্র গরম। রাতে রোদ না থাকলেও গরম কমেনি। এরমধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে থাকাও দায় হয়ে পড়েছে মানুষের।

অপরদিকে, লোডশেডিংয়ের কারণে ভাটা পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যেও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা। বাসাবাড়ির পাশাপাশি দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসের কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনলাইনে কাজ করা ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

নগরের জিন্দাবাজার এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী জাবের আহমদ বলেন, একে তো গরমের কারণে ব্যবসায় মন্দা। তারউপর লোডশেডিং। কিছুক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় থাকে না।

তিনি বলেন, জেনারেটর চালিয়ে দোকানের লাইট ও ফ্যান সচল রাখতে হচ্ছে। এতে আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি হচ্ছে।

দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলা এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, বিদ্যুতের যাওয়া আসার কারণে ফ্রিজ-এসি সবসময় সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে। নির্ধারিত তাপমাত্রায় রাখতে না পারায় অনেক ওষুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

চাকরিজীবী কবির হোসেন বলেন, আমরা এখন সব সহ্য করা শিখে নিয়েছি। বিদ্যুতের এতো বাজে অবস্থা। তবু এ নিয়ে মানুষের তেমন কোন কথা নেই। সরকারও তাই ইচ্ছেমত লোডশেডিং করছে।

নগরের শিবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রাহেলা বেগম বলেন, দিনে-রাতে অন্তত ৭/৮ বার বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করে। এমনকি রাত ১২ টার পরেও বিদ্যুৎ চলে যায়। ফলে ঘুমানোরও সুযোগ নেই।

তার প্রশ্ন, রাত ১২ টার পর তো বিদ্যুতের চাহিদা কমে। তখন কেন বিদ্যুৎ যাবে।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সোমবার সিলেটে বিদ্যুতের চাহিদা ২৪৭ মেগাওয়াট। অপরদিকে সরবরাহ মিলেছে ২০২ মেগাওয়াট। ফলে সিলেটে সোমবারের ঘাটতি ৪৫ মেগাওয়াট।

এরআগে রোববার সিলেট বিভাগের পিডিবির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৩৩ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ১৭৭ মেগাওয়াট। ফলে ৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল।

লোডশেডিংয়ের ব্যাপারে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন বলেন সিলেটটুডেকে বলেন, সারা দেশজুড়েই এখন বিদ্যুতের সঙ্কট। গ্রিড থেকে আমাদের যা সরবরাহ দেওয়া হয় আমরা তাই বিতরণ করি।

গরমের মধ্যেই বারবার লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কী বলব বলেন? মারাত্মক অবস্থা। কিন্তু সরবরাহে ঘাটতি থাকলে লোডশেডিং করতেই হবে।

এ অবস্থা কতদিন চলমান থাকবে তা জানা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, রোববার থেকে আজ সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস