বুধবার ২৪ জুন, ২০২৬ | ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
Advertise with us

ভালোবাসা ছুঁয়ে যাক সকল প্রাণে!

নিউজ ডেস্ক   |   রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০   |   প্রিন্ট   |   ১২৮২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ভালোবাসা ছুঁয়ে যাক সকল প্রাণে!

ভালোবাসা দিবসের প্রচলন বাংলাদেশে খুব বেশি দিন আগের নয়। প্রায় ৯০ দশকের শুরুতে এর প্রচলন ঘটে। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বিশ্বের আর সব দেশের মতো ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢেকে যায় করপোরেট সংস্কৃতির মোড়কে। সঙ্গে থাকে বাণিজ্যিক হিসাব-নিকাশও। ‘এত কোটি টাকার ফুল বিক্রি/ ফুল চাষীদের মুখে হাসি/ ভালোবাসা দিবসে পুলিশের জন্য ফুল’ এ জাতীয় শিরোনামে মুখর হয় পত্রিকার পাতা। বর্তমান সময়ে এসে ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবসের কদর প্রবল ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসার শুভেচ্ছা শুধু প্রেমিক- প্রেমিকাই নয়, এটা প্রযোজ্য বাবা-মা- ভাইবোন, বন্ধু সকলের ক্ষেত্রেই।

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে। এ দিনটিকে বিশ্বব্যাপী ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রেমিক-প্রেমিকা, বন্ধ-বান্ধব, স্বামী-স্ত্রী, মা-সন্তান, ছাত্র-শিক্ষক সহ বিভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ মানুষেরা এই দিনে একে অন্যকে তাদের ভালোবাসা জানায়। তবে বিশেষ এই দিনে, স্থান, ব্যক্তিভেদে রয়েছে ভালোবাসার রকমফের। কি প্রাচ্য, কি পাশ্চাত্য-কবিতা, গান আর পংক্তিমালায় অব্যক্ত ভালোবাসা প্রকাশের পথ খুঁজে নেয় শ্বাশত প্রেম। মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব, মমতা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে নানা আয়োজনে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে। বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে এই দিনটিকে খুবই ঘটা করে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

এই দিনে পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো ভালবাসার মানুষদের দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে। ভালবাসা দিবসের এই দিনে প্রিয়জনকে সবাই ফুল, চকোলেট, পারফিউম, বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন সহ বিভিন্ন সামগ্রী উপহার দিয়ে থাকে। বিশ্ব ভালবাসা দিবসে এখন থেকে কয়েক বছর আগ পর্যন্তও বিশ্বব্যাপী ঘটা করে পালন করা হতো না। তবু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসার একটি দিন নির্ধারিত হয়েছে। সারাবছর ভালোবাসবার যে আয়োজন তা একটি দিনে আরেকটু বাড়তি গুরুত্ব পেলে ক্ষতি কী?

প্রসঙ্গত, আমরা অনেকেই এই দিবসটি পালন করে থাকলেও আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা এই দিবসটি কিভাবে বা কোথা থেকে আসলো। কথিত আছে, ২৬৯ কিংবা ২৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট ক্লডিয়াস মৃত্যু দেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে। কারো মতে, অন্ধপ্রেমিকার চোখের দৃষ্টি ফেরাতেই জীবন দিতে হয়েছে তাকে। কেউ বলে, বিয়ে প্রথা নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে নিজে বিয়ে করে বিদ্রোহী হন তিনি। আবার কারো মতে, রোগীর সেবা আর খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের অপরাধে জীবন দিতে হয় চিকিৎসক ভ্যালেন্টাইনকে। জীবনের পরিসমাপ্তির মধ্য দিয়ে প্রেমের প্রতীক হয়ে উঠেন সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন। ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম পোপ জুলিয়াস ঘোষণা করেন ভ্যালেনটাইন ডে। তখন থেকে ক্রমেই বাড়ছে ভালোবাসা দিবস পালনের পরিধি।

আরেক ইতিহাস দাবি করে, সেনাবাহিনীতে লোক সংকট হলে তরুণ-তরুণীর বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন সম্রাট ক্লডিয়াস। যাতে অবিবাহিত তরুণেরা সৈনিক হতে আগ্রহ প্রকাশ করে। সম্রাটের এই নির্দেশ প্রথম অমান্য করেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজক। তিনি ভালোবেসে মার্সিয়া নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন এবং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অন্যদের বিয়ে দেন। আদেশ অমান্যের জন্য ভালেন্টাইনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। তার স্মরণেই ভালোবাসা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এটিই সবচেয়ে প্রচারিত সংজ্ঞা। তবে ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস নিয়ে এমন আরো অনেক ভিন্নমত কাহিনী রয়েছে।

সর্বোপরি ঋতুরাজ বসন্ত আর ভালোবাসা এবার নিয়ে এসেছে অন্যরকম আবহ। এই বসন্তে আপনার ভালোবাসা দিবসটি প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটুক, ভালোবাসায় কাটুক এই প্রত্যাশা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস