শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
Advertise with us

কুলাউড়ায় চাচার ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো ভাতিজার!

নিউজ ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯   |   প্রিন্ট   |   ৫৭১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

কুলাউড়ায় চাচার ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো ভাতিজার!

কুলাউড়ায় ফানাই নদীতে মাছ ধরার জেরে ঝগড়ার সময় ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো অনিক মিয়া (১০) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের। ঘটনাটি বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে কুলাউড়া উপজেলার ভুকশীমইল ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত অনিক ওই এলাকার ইলাই মিয়ার পুত্র ও সাদিপুর ইসলামিয়া মাদরাসার ছাত্র। এব্যাপারে অনিকের মা বৃহস্পতিবার বিকেলে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

মামলার এজাহার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ফানাই নদীর ভূকশিমইলের নবাবগঞ্জ বাজার অংশে মাছ ধরার জন্য দারাজাল (খেউ) ইজারা নিয়ে ইলাই মিয়া ও শিবলু মিয়ার সঙ্গে তাঁদের মামা দিল হোসেনের বিরোধ চলছিলো। এ নিয়ে বুধবার দিনে স্থানীয় ঘাটের বাজারে দিল ও শিবলুর বাকবিতন্ডা হয়। সেই বাকবিতন্ডার জেরে রাত আটটার দিকে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। একপর্যায়ে শিবলু ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি নিয়ে দিলের দিকে তেড়ে যান। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা আজমান মিয়া শিবলুকে আগলে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। শিবলুর ভাতিজা অনিকও সেখানে দাঁড়ানো ছিল। আজমান মিয়ার সাথে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে শিবলু হাতে থাকা ছুরির আঘাত তাঁর ভাতিজা অনিকের হাতে ও পেটে লাগলে মারাত্মক জখম হয়। আশংকাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি ঘটায় সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওই দিন রাত ১২টার দিকে সে মারা যায়। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ অনিকের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে অনিকের মা জেলি বেগম বাদী হয়ে শিবলু ও প্রতিবেশী আজমান মিয়াকে (২৫) আসামি করে মামলা করেন।

কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন আল রশীদ বলেন, বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে তার লাশ। আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস