শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
Advertise with us

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ না করে শিক্ষকদের উচিৎ পেশাজীবি রাজনীতি বন্ধ করা: শ্রীমঙ্গলে হানিফ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি   |   রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯   |   প্রিন্ট   |   ৬১১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ না করে শিক্ষকদের উচিৎ পেশাজীবি রাজনীতি বন্ধ করা: শ্রীমঙ্গলে হানিফ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের শুরুতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দরা। পরে সভায় সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আছকির মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নানের পরিচালনায় সভার উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমেদ এমপি।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দীন সিরাজ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অধ্যাপক রফিকুর রহমান, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বদর উদ্দিন কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, অনেকে বলছেন ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য। কিন্তু আমাদের ছাত্র রাজনীতির গৌরব উজ্জল ভূমিকা আছে। ছাত্র রাজনীতির ভুমিকার কারনেই আমরা দেশে স্বাধীনতা এনেছি। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ না করে আপনারা বরং শিক্ষকরা পেশাজীবি রাজনীতি বন্ধ করুন। আপনারা শিক্ষকরা পেশাজীবি রাজনীতি করার কারনে ছাত্রদের কাছ থেকে সম্মান হারাচ্ছেন। আপনাদের দলীয় লেজুর বৃত্তি রাজনীতির কারনে ছাত্রদের উপর থেকে আপনারা নিয়ন্ত্রন হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভিসি হওয়ার জন্য, বিভিন্ন পদপদবী পাওয়ার জন্য লেজুর ভিত্তির রাজনীতি করছেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্বে বিশ্বাসী ছিলেন না। ১৯৭১ সালে তাকে একপ্রকার জোর করে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করানো হয়েছিলো। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে ছিলেন পাকিস্থানের এজেন্ট হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধচলাকালে তার সাথে পাকিস্থানীর সাথে সম্পর্ক ছিলো। ১৯৭৫ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই তার সব কিছু প্রমান হয়ে যায়। জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পর ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতা বিরুধীদের নিয়ে রাজাকারদের নিয়ে মন্ত্রী সভা গঠন করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস