
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পালিত হলো ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬’। এবারের দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো—”জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান”। ১ আগস্ট শনিবার সকাল ১১টায় কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স রুমে অনুষ্টিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে অনুষ্টিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: বর্ণালী দাশ। সভায় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তানজিমুল রাফি, এমওডিসি ডা. মোছাৎ সারমিন ফারহানা জেরিন, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ জামানওয়ারা বেগম, আলালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুর নাহার, কুলাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মো: মছব্বির আলী, যুগান্তর প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল প্রমুখ। প্রধান অতিথি কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, বাংলাদেশে ৫৫ শতাংশ শিশুদেরকে মাতৃদুগ্ধ পান করানো হয়। এটি একটি বড় সমস্যা। আমরা প্রতি বছর এই অনুষ্ঠান পালন করে থাকি। কিন্তু এই অনুষ্ঠান থেকে আমরা কতটুকু শিখতে পারলাম বা শিখাতে পারলাম এটাই মূল বিষয়। প্রতি বছর এরকম অনুষ্ঠান করে লাভ কি যদি আমরা মাতৃদুগ্ধের পানের শতাংশ না বাড়াতে পারি। আমরা চেষ্টা করবো আগামী বছর ৬০ শতাংশে নিয়ে আসার। এর জন্য যা যা উদ্যোগ সেগুলো আমাদের নিতে হবে। এজন্য যেখানে যেখানে আমাদের কমতি আছে, সেই জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করলে আমরা বেটার পজিশনে যেতে পারব। ’কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: বর্ণালী দাশ বলেন, শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শাল দুধের অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরেন এবং জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য মায়েদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, পুষ্টি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা টেকসই পুষ্টি নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে মাতৃদুগ্ধ পানের সচেতনতা আরও বেগবান করার উপর জোর দেন।
সভা শেষে হাসপাতাল থেকে এক র্যালী বের করা হয়।
