শরণার্থী নিয়ে তুরস্কের চাপের মুখে ইউরোপ

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২০ | ১০:৫৫ অপরাহ্ণ | 422

শরণার্থী নিয়ে তুরস্কের চাপের মুখে ইউরোপ

সিরিয়া ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে চাপে ফেলতে শরণার্থীদের গেট খুলে দেয়ায় আবারও সংকটের মুখে পড়েছে ইউরোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় তুরস্কের স্থলসীমান্ত দিয়ে প্রায় ১০ হাজার শরণার্থী গ্রিস সীমান্তে জড়ো হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সিরিয়া সংকটের জেরে চরম বেকায়দায় পড়ে ইউরোপের উপর চাপ সৃষ্টি করার হাতিয়ার হিসেবে শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তুরস্ক। শুক্রবার থেকে শরণার্থীদের নতুন ঢল নামার কারণে দুই দিন ধরে গ্রিসের সীমান্তে চরম অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে। খবর ডয়চে ভেলের।



স্থলসীমান্ত ছাড়াও গ্রিসের তিনটি দ্বীপে রোববার সকালে কমপক্ষে ৬০০ শরণার্থী নৌকায় করে এসে পৌঁছেছে।

রোববার গ্রিক সেনা ও পুলিশ ৯ হাজার ৯৭২ জন শরণার্থীকে তুরস্ক সীমান্তে আটকে দিয়েছে। তারা এদিন সকালে কাস্তানিস বন হয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টায় ছিল বলে জানিয়েছেন এক গ্রিক কর্মকর্তা।

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে আসাদ বাহিনীর হামলায় ৩৩ তুর্কি সেনা নিহত হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। এর মধ্য দিয়ে সিরিয়া সংঘাত নিয়ে ইইউ দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টিরই চেষ্টা করছে দেশটি।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান বলেছেন, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের আর সামলাতে পারবে না তার দেশ।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, রোববার গ্রিসের পুলিশ সীমান্তে শরণার্থীদের উপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। এ সময় হাজার হাজার শরণার্থী পাথর ছুড়তে শুরু করলে সেখানে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল।

মঙ্গলবার ইউরোপীয় সরকার পরিষদের প্রধান শার্ল মিশেল এভ্রস স্থলসীমান্ত পরিদর্শন করবেন বলে গ্রিক সরকার জানিয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকস মিটসোটাকিস এক জরুরি বৈঠকের পর এই সংঘর্ষকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন।

শরণার্থীদের উদ্দেশ্যে এক টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বেআইনিভাবে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টা করবেন না, আপনাদের ফেরত পাঠানো হবে।

২০১৬ সালে ইউরোপমুখী শরণার্থীর ঢল নামার পর তাদের আটকাতে তুরস্কের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ওই চুক্তির আওতায় তুরস্ক সিরীয় ও আফগানসহ অন্যান্য দেশের প্রায় ৩৭ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com