বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

Advertise with us
Advertise with us

মাধবকুণ্ডের ৩ কিমি এলাকাজুড়ে হচ্ছে ক্যাবল কার

  |   রবিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ৩৪৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মাধবকুণ্ডের ৩ কিমি এলাকাজুড়ে হচ্ছে ক্যাবল কার

নিউজ ডেস্ক:: দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক জলপ্রপাত মাধবকুণ্ডে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নির্মিত হচ্ছে ক্যাবল কার। এরই মধ্যে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভ্রমণপ্রিয়দের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পথ আরও সুগম হবে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। বন মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্যাবল কার স্থাপন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ বিনোদনস্পটে দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে পর্যটন খাতে সরকারের রাজস্ব আয়।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ ইকোপার্কের আশপাশে রয়েছে সবুজ বন-বনানী, উঁচু-নিচু পাহাড় আর টিলা। এছাড়া রয়েছে নানা প্রজাতির জীবজন্তু, পাহাড়ি ছড়া, খাসিয়া পল্লী, চা বাগান। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের দূর-দূরান্ত ও বিদেশ থেকে ছুটে আসেন ভ্রমণপ্রিয়রা। তারা শুধু জলপ্রপাত দেখেই চলে যান। এতে তাদের মন ভরে না। তারা যাতে এখানকার সৌন্দর্যের ষোলআনা উপভোগ করতে পারেন সেজন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বড়লেখা রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস বলেন, মাধবকুণ্ডে ক্যাবল কার স্থাপন করতে আমরা এরই মধ্যে প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। মাধবছড়া বিট অফিস থেকে জলপ্রপ্রাত পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় ভূমি থেকে ৭০ থেকে ৮০ ফুট ওপর দিয়ে ক্যাবল কার চলাচলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান  বলেন, বন ও পরিবেশমন্ত্রীর অনেক দিনের ইচ্ছা মাধবকুণ্ড একটি জমজমাট পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠুক। তার সেই উদ্যোগ থেকেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এখন বাস্তবায়নের কাজ চলছে। শিগগির এটি চালু হবে। এটা হলে বর্তমানের তুলনায় কয়েকগুণ পর্যটক সংখ্যা বাড়বে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস