শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩

Advertise with us
Advertise with us

ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ৯ বছরে ১৫ বিয়ে!

  |   সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ২০৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ৯ বছরে ১৫ বিয়ে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের বেঙ্গালুরুর বনশঙ্কারির বাসিন্দা মহেশ কে বি নায়েক। ৩৫ বছর বয়সী এই যুবক নিজেকে কখনও ডাক্তার কখনও ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অন্তত ১৫ নারীকে বিয়ে করেছেন।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ৮ জুলাই শনিবার মাইসুরু সিটি পুলিশ মহেশকে গ্রেফতার করেছে।

এদিকে পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে,আসলে ওই যুবক ক্লাস ফাইভ পাশ।

জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৫ জন নারীকে বিয়ে করেন এই প্রতারক। মহেশ নিজেকে ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী নারীদের বিয়ে করতেন।

এই বছরের শুরুতে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করেছিলেন মহেশ। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তুমাকুরু এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এই প্রতারককে। মহেশ যে ১৫ নারীকে বিয়ে করেছেন,তাদের মধ্যে চারজনের ঘরে সন্তান রয়েছে তার।

নারীদের ফাঁদে ফেলার জন্য মহেশ পাত্র-পাত্রী খোঁজার ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেন। তিনি বেশিরভাগ সময় একজন প্রকৌশলী বা চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। তার দাবির প্রমাণ দিতে তুমাকুরুতে একটি ভুয়া ক্লিনিক করেছিলেন মহেশ। তবে ইংরেজির দক্ষতা কম থাকায় অনেকে তার বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

মাইসুর এলাকার যে নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশকে গ্রেফতার করা হয়,তাকে এ বছর জানুয়ারিতে প্রতিবেশী অন্ধ্র প্রদেশের একটি শহরে বিয়ে করেন। একটি ক্লিনিক করতে অর্থের জন্য তাকে নানাভাবে হয়রানি শুরু করলে তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। এমনকি তার গয়না ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান ওই প্রতারক।

পুলিশ আরও জানায়,মহেশ স্ত্রীদের সঙ্গে খুব কমই দেখা করতেন। তিনি যাদের বিয়ে করেছিলেন, তাদের বেশিরভাগই সুশিক্ষিত এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী। লোকলজ্জার ভয়ে মহেশের প্রতারণা বুঝতে পেরেও কখনও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেননি তারা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস