বিশ্বে কে আছে প্রধান জনতার কল্যাণে শতবর্ষের মহা-পরিকল্পনা করবে পুনর্বিন্যাস

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০ | ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ | 99

বিশ্বে কে আছে প্রধান জনতার কল্যাণে শতবর্ষের মহা-পরিকল্পনা করবে পুনর্বিন্যাস
আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছে সরকার।
১৭ মার্চ বর্ণাঢ্য উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বছরব্যাপী এ উদযাপন।
মুজিব বর্ষ ঘিরে এরই মধ্যে ২৯৬টি পরিকল্পনাসংবলিত একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
জাঁকজমকপূর্ণভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপনে দুটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ১০২ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’। এ কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অন্যদিকে জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে সভাপতি ও কবি কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে প্রধান সমন্বয়কারী করে গঠন করা হয়েছে ৬১ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’।
আগামী ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষ শুরু হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, দেশের বাইরে সারা পৃথিবীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এ উদযাপনে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ থেকে শুরু করে সারা পৃথিবীকে সম্পৃক্ত করা হবে। সে অনুযায়ী আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।
১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে আরো স্মরণীয় করতে ১০ জানুয়ারিই শুরু হয়ে গেছে মুজিব বর্ষের ক্ষণ গণনা।
তবে জন্মশতবার্ষিকীর মূল আয়োজন শুরু হবে ১৭ মার্চ সূর্যোদয়ের ক্ষণ থেকেই। ওইদিন সকালে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান।
মুজিব জন্মশতবার্ষিকীর বিভিন্ন স্যুভেনির, স্মারক বক্তৃতা, দেশী-বিদেশী শিল্পীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজন করা হবে আনন্দ শোভাযাত্রা। রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সড়কদ্বীপকে সাজানো হবে রঙিন সাজে।
জানা গেছে, ১৭ মার্চ অনুষ্ঠানের মূল পর্বে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান, বঙ্গবন্ধুর সমসাময়িক সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন।
১৮ মার্চ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসবে, যাতে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা আমন্ত্রিত অতিথিরা। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার দিবস ও ৭ জুন ছয় দফা দিবস উদযাপন নিয়ে থাকবে নানা আয়োজন।
আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রোজ গার্ডেনে হবে সেমিনার। এছাড়া ওইদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হবে সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রা। এরপর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগস্টজুড়ে থাকছে আওয়ামী লীগ ও উদযাপন কমিটির উদ্যোগে নানা আয়োজন।
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। তাই এ বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা হবে। একই দিন বাংলাদেশেও আলোচনা ও সেমিনার করা হবে। একই সঙ্গে দেশের সব স্থানে টিভি, রেডিও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ভাষণ প্রচার করা হবে। জেল হত্যা দিবস ও বুদ্ধিজীবী দিবসে থাকবে আলোচনা সভা, সেমিনারসহ নানা আয়োজন। এ বছরের বিজয় দিবসও পালন করা হবে জাঁকজমকভাবে।
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতির জনককে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয়। ২০২১ সালের ওইদিনটিকে স্মরণীয়ভাবে পালন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ওইদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। ২০২১ সালের ৭ মার্চ থেকে সাতদিনের কর্মসূচি ও জয় বাংলা কনসার্টের আয়োজন করা হবে।
জানাই গেছে, বর্ষব্যাপী কর্মসূচি পালনে ২৯৬টি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উদযাপন কমিটি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ যেন ঝুঁকির মুখে না পড়ে, তাই মুজিববর্ষ উদযাপনে সব কর্মসূচি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। বলেন, বিশ্বজুড়ে সমস্যার কারণে বিশেষ করে বাংলাদেশ তিন জনের করুনা ভাইরাসের আক্রান্ত ধরা পড়েছে।
মে মুজিব শতবর্ষ গিয়ে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তার আগে জনগণের কল্যাণ এবং পরে উদযাপন। তাই আনুষ্ঠানিকতা করা হবে জনগণকে ঝুঁকিমুক্ত রেখে।
এমন উদার মানসিকতা বিশ্বের এক জনের ই আছে আর তিনি হলেন আমাদের মমতাময়ী জননী স্নেহময়ী ভগিনী বিশ্বরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন তিনি সব ত্যাগ করতে পারেন কিন্তু বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি ত্যাগ করতে পারেন না তাঁর এই কথার বাস্তব প্রমাণ আমরা দেখতে পাই জননেত্রী মমতাময়ী মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। তাঁর নিবা-রাত্রীর চিন্তা ভাবনা শুধু বাংলার দুঃখী মানুষের জন্য। তিনি দেশকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলো এখন বাংলাদেশ রুল মডেল হিসেবে নিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তথ্য প্রযুক্তি তে এগিয়ে। উনি দরিদ্র মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন যাতে অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের চাহিদা মিটে। সব হারিয়ে আপন করে নিয়েছেন বাংলার মানুষ কে।
লেখক:
মাহমুদুল হাসান সবুজ
আহ্বায়ক, আনন্দমোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com