আপডেট

x


জেলা বিএনপি সভাপতি নাসের রহমান ও কুলাউড়ার সভাপতি প্রার্থী জুনেদ কে অবাঞ্চিত ঘোষণা

শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯ | ৭:৫৯ অপরাহ্ণ | 1101

জেলা বিএনপি সভাপতি নাসের রহমান ও কুলাউড়ার সভাপতি প্রার্থী জুনেদ কে অবাঞ্চিত ঘোষণা

কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র সকল প্রস্তুতি ছিলো সম্পন্ন। কাউন্সিলাররাও ভোট দিতে এসেছিলেন। কিন্তু বেলা ৩টার কাউন্সিল সকাল ১০ টায় স্থগিত করে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি। এতে হতাশ আয়োজকসহ উপজেলা বিএনপির তৃণমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে অনিবার্য কারণবশত কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে সম্মেলন স্থলে উপস্থিত সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষুব্দ নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপি সভাপতি এম নাসের রহমান ও কুলাউড়া বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয় এবং কামাল উদ্দিন আহমদকে বহিষ্কার করা হয়। সম্মেলন করতে না পারায় উপজেলা আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা।



কুলাউড়া উপজেলায় বিএনপির রাজনীতি ছিলো অনেকটা খাঁদের কিনারায়। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ক্লিন ইমেজ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। সে লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক ধারায় প্রায় এক দশক পর শনিবার ১৫ জুন ছিলো দলের উপজেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন। এদিকে সম্মেলনের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ শুক্রবার ১৪ জুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান সভাপতি প্রার্থী ও সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ। কাউন্সিলে ভরাডুবি টের পেয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। শেষতক জেলা বিএনপিকে সম্মেলন স্থগিতে তিনি কলকাটি নাড়েন বলে জানা গেছে।

নির্বাচন স্থগিত প্রসঙ্গে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন ভুইয়া জানান, সম্মেরনের দিন সকাল ১০টায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি নাসের রহমান উনার দুসাই রিসোর্টে যাওয়ার জন্য ফোন দেন। তখন সেখানে ছিলো সভাপতি প্রার্থী কামাল উদ্দিন আহমদ। আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবে রাজাসহ সেখানে যাওয়ার পর জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত সম্মেলন স্থগিতের চিঠি দেন।

এব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেন, বিএনপিকে ক্লিন ইমেজ নিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করেছি। জেলা বিএনপি আমাকে ডেকে নিয়ে কাউন্সিল বাতিল ঘোষণা দিয়ে আমার হাতে একটি প্রেসরিলিজ ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। জেলা বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদ কোন কথা শুনতে রাজি হননি। এতে উজ্জীবিত উপজেলা বিএনপিসহ আমরা মর্মাহত হয়েছি। আমি আহবায়কের পদ থেকে পদত্যাগের সিন্ধান্ত নিয়েছি। পাশাপাশি জেলা বিএনপির সভাপতির পদত্যাগ দাবী করছি। জেলা বিএনপির সভাপতির কারণেই কুলাউড়ার সম্মেলন পন্ড হয়েছে। জেলার এই সভাপতির সাথে আর রাজনীতি করবেন না। জেলা বিএনপিকে জঞ্জালমুক্ত করতে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হবেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com