আপডেট

x


কুলাউড়া বিএনপি নির্বাচনের শেষ প্রান্তে এসে ‘ঘরের শত্রু’ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে!

বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২১ | ৩:৩৭ অপরাহ্ণ | 489

কুলাউড়া বিএনপি নির্বাচনের শেষ প্রান্তে এসে ‘ঘরের শত্রু’ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে!

ইউসুফ আহমদ ইমন, কুলাউড়া::  কুলাউড়া পৌরসভায় শনিবার ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোট। শেষ দিনের প্রচারনাও দেখা যাচ্ছে পৌর শহরের রিকশা-গাড়ি-মোটরসাইকেলে শুধুই নৌকার পোস্টার, স্টিকার, শুধুই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদের ছবি। তবে পোস্টার-লিফলেট, প্রার্থীর গণসংযোগ কিংবা ছোটখাটো পথসভা ছাড়া তেমন উচ্ছ্বাস নেই ‘ধানের শীষে’। ভোটের ঠিক আগে নৌকার এ জোয়ার অতীত স্মৃতিও ফিরিয়ে এনেছে অনেকের। কুলাউড়া পৌরসভায় নৌকা মার্কার বিজয়ের জন্য আওয়ামী লীগের সকলে বিভেদ ভুলে এখন ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করছে।কুলাউড়া পৌরসভার এক আওয়ামীলীগ নেতা মনে করছেন, এবারের নৌকার জোয়ার সত্যিকারের জোয়ার। তবে এর পরও তাঁরা সতর্ক থাকবেন বলে জানান তিনি।

এদিকে বিএনপি নির্বাচনের শেষ প্রান্তে এসে ‘ঘরের শত্রু’ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে।নির্বাচনের কিছুদিন আগে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ সামাজিক মাধ্যমে একটি বিডিও বার্তায় বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক কে দায়ী করে দলের কার্যক্রম পরিচালনা বিভিন্ন ব্যার্থতা রয়েছে বলে দাবী করেন। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির তিন ব্যক্তি ছাড়া দলের কোন কার্যক্রম হচ্ছে না। দলীয় সকল ধরনের কার্যক্রম তিন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ। দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদসহ অন্যদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না এমন অভিযোগ আনেন।



তবে এ-সব অভিযোগ উরিয়ে দিয়ে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান কাউন্সিলর পদপ্রার্থী) জয়নাল আবেদিন বাচ্চু , সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান বলেন এধরনের বক্তব্য গঠনতন্ত্র বিরোধী। কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদের রাজনৈতিক জ্ঞানের অভাব রয়েছে উল্লেখ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, বিগত উপজেলা বিএনপি কাউন্সিলে সভাপতি পদে পরাজিত হয়ে কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ সাহেব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যাচার বক্তব্য দিচ্ছেন।দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্য করে এমন বক্তব্যের জন্য আমরা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাছে বিচার প্রার্থী হয়েছি।

স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরা বলছেন বিগত করোনাকালী সময়ে দলের কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে জন্য ১০০ প্যাকেট দেয়ার কথা থাকলেও ১ প্যাকেটও দেননি তিনি। উল্টো অসুস্থার অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। কোন নেতাকর্মীর পাশে এসে দাড়াননি। অতচ মেয়র পদে জয়ী হতে নির্বাচনে ঠিকই টাকা খরচ করছেন।

অন্যদিকে পৌরসভার বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন এমন একজন বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা বিএনপি করি ঠিকই আছে। কিন্তু দলের একজন কাউন্সিলর হিসেবে বিজয়ী হলে দল লাভবান হবে। এ ছাড়া ধানের শীষের জন্য কাজ করতে গেলে এলাকায় থেকে কাউন্সিলরের জন্য কাজ করাও মুশকিল হবে। তখন দুটিই হারাতে হবে।

বিএনপির আরেক সমর্থক জানান ‘আগের নির্বাচন আর এবারকার নির্বাচনের পরিস্থিতি ভিন্ন। অন্যদলের প্রার্থীর পক্ষে সবাই এক হয়ে কাজ করছে। তাই ধানের শীষের প্রার্থীর মেয়র হওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

একটি সুত্রে জানা গেছে কুলাউড়া বিএনপির ও তাঁর অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা এবং সমর্থকরা মেয়র পদে দুইজন স্বতন্ত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।যা এবার ধানের শীষের জন্য বড় এক দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com