মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক-২০২৬’ কুলাউড়ার সেলিম আহমদ নির্বাচিত  এমপি গাজী নজরুলের সাথে থাকা সেই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার এবার লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বরুণ চক্রবর্তী ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার জগন্নাথপুরে গৃহবধূ ও কমলগঞ্জে যুবকের ‘আত্মহত্যা’ কুলাউড়ায় মৈন্তাম স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা মোবাইল ফোনে প্রেম, বিয়ের দাবিতে প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অবস্থান এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্যই ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত: রুমিন ফারহানা এমপি ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের
Advertise with us

ভাঙ্গারী ব্যবসায় ধস ফেরিওয়ালার দুর্দিন

নিউজ ডেস্ক ::   |   সোমবার, ০১ জুন ২০২০   |   প্রিন্ট   |   ৫৯৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ভাঙ্গারী ব্যবসায় ধস ফেরিওয়ালার দুর্দিন

করোনার মধ্যে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভাঙ্গারী ব্যবসায় ধস নেমেছে। করোনা সংক্রমন শুরুর পর এ ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। মাহাজনরা বাড়ির পাশের খালে ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত নৌকা নোঙ্গর করে রেখেছেন। এ ব্যবসার সাথে জড়িত ৫০ মহাজন ও ৩ হাজার ফেরিওয়ালা বেকার হয়ে পড়েছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা নিদারুন কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। মাহাজনদের কাছ থেকে সাড়ে ৭ কোটি টাকা দাদন নিয়েছেন ফেরিওয়ালারা। দাদনের টাকা ফেরিওয়ালারা সংসারের পেছনে খরচ করেছেন। এদিকে ভাঙ্গারী মহাজনরা ফেরিওয়ালাদের দাদন দিয়ে পুঁজি সংকটে পড়েছেন। এখন ফের ব্যবসা শুরু করতে মাহাজনরা সরকারের কাছে স্বল্প সুদে ঋন চেয়েছেন।

কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন মহাজনরা বলেন, আমরা ৫০ ভাঙ্গারী মহাজন বরিশাল, ভোলা,পিরোজপুর, নড়াইল, বাগেরহাট,বরগুনা, ঝালকাঠিসহ দক্ষিাণাঞ্চলে নৌকায় করে ভাঙ্গারী মাল ক্রয় করি।দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে আমাদের ফেরিওয়ালারা ভাঙ্গারী লোহা লক্কর, প্লাষ্টিক সামগ্রী কিনে এনে আমাদের নৌকায় জমা দেন। এ জন্য আমরা ৩ হাজার ফেরিওয়ালার প্রত্যেককে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা দাদন দিয়েছি। এ টাকা তারা সংসারের পেছনে খরচ করে ফেলেছে। আমরা ঢাকার ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের কাছে এসব পন্য সরবরাহ করতাম। করোনর মধ্যে ব্যবসা বন্ধ হয়েছে। বিশাল পরিমান ফেরিওয়ালা ও আমাদের সংসার চালাতেই আমরা পুঁজি সংকটে পড়েছি। নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে পারছিনা। সরকার স্বল্প সুদে ঋনের ব্যবস্থা করলে আমরা ফের এ ব্যবসা শুরু করতে পারবো। এটি করা হলে এ ব্যবসার সাথে যুক্ত প্রায় ৪ হাজার পরিবার বেঁচে যাবে।

ফেরিওয়ালারা বলেন, আমরা মহাজনদের কাছ থেকে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা দাদন নিয়েছি। এ জন্য আমরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিভিন্ন পণ্যের বিনিময়ে ভাঙ্গারী সংগ্রহ করে ব্যাপারীদের কাছে এনে দেই। আমরা ব্যাপারীদের কাজ থেকে যে টাকা নিয়েছি তাহা আমরা সন্তানদের লেখাপড়া, জমিক্রয় ও সংসার চালাতে ব্যয় করেছি। আমাদের কাছে কোন নগদ টাকা নেই। এছাড়া এ কাজের জন্য আমরা পারিশ্রমিকও পেতাম। করোনার মধ্যে ব্যবসা বন্ধ তাই পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। ব্যবসা শুরু না হলে আমাদের খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি আমার উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে মানবিক এই বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করবো।

সৌজন্যে : ভোরের কলাম

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস