বুধবার ১ জুলাই, ২০২৬ | ১৭ আষাঢ়, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন ভিনির জোড়া গোলে স্কটল্যান্ড বিধ্বস্ত, গ্রুপ সেরা ব্রাজিল আগামী দিনে দেশে চীনের বিপুল বিনিয়োগ দেখা যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহায়তা চায় ঢাকা রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের প্রস্তাব ইরানের ইরানের তেল রফতানিতে ৬০ দিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রাতে সিলেট ছাড়ছেন সারওয়ার, ডিসির দায়িত্বে পিংকি সাহা শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ৪ দিনেই প্রায় ১৮ লাখ টাকা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে পারুলের প্রার্থীতা ঘোষণা
Advertise with us

দৃষ্টিনন্দন চা বাগানের টিলাময় সৌন্দর্য

  |   শনিবার, ০২ নভেম্বর ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ১১০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

দৃষ্টিনন্দন চা বাগানের টিলাময় সৌন্দর্য

সবুজে ঘেরা চা বাগানের হাত ধরেই উন্মেচিত হচ্ছে পর্যটন শিল্পের প্রতি প্রাথমিক ভালো লাগা। দেশের চা বাগানপ্রেমীর সংখ্যা নেহাত কম নয়।

কোনো কোনো প্রকৃতিপ্রেমীদের ভেতরে ভেতরে তাদের ব্যক্তিগত পছন্দটি নতুন রূপে চা বাগানপ্রীতিতে আকৃষ্ট হচ্ছেন।

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে পটভূমি আর বর্ষার অপূর্ব সৌন্দর্য পেরিয়ে দেশের ১৬৭টি চা বাগানে বৃষ্টি তার জলজ স্পর্শ রেখেছে চা গাছের সবুজ পাতায় পাতায়। তাতেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে ওরা। বৃষ্টি ঘেরা ওই জাদুময় উর্বরতাটুকু শুধুই চা উপত্যকাময় মৃত্তিকার গহ্বর ছুঁয়ে। শারীরিক সবুজ রং আরও তীব্রতর হয়ে দূরে থেকে যেন দেখাচ্ছে কতটা সুন্দর চা বাগান!

সে বিবেচনায় বলাই যায়, পর্যটন শিল্পে বিশাল একটি অংশজুড়ে আছে চা বাগান। এ বাগান মানেই সৌন্দর্যের প্রতীক। যেখানে নিমেশেই জুড়িয়ে যায় চোখ। অনতি বিলম্বে ভরে ওঠে মন। মাঝারি সাইজের গাছগুলো কাছ থেকে দূরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বড় বিস্ময়ে দৃষ্টিনন্দন পটভূমি জন্ম দিয়ে রেখেছে।

তবে সেই চা বাগান প্রাকৃতিক অরণ্য বা বনের চিরায়ত সৌন্দর্যের মতো নয়। কেননা তা সৃষ্টি করা। প্রাকৃতিকভাবে জন্ম লাভ করা নয়। তারপরও চা বাগান বরাবরেই মতোই সীমাহীন সুন্দরের অক্সিজেন।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের থেকে যারা চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়ায় বেড়াতে যান তারাই এসব এলাকায় প্রবেশের আগেই দেখে নেন চা বাগানের দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ সৌন্দর্য। যা এক কোণ থেকে শুরু হয়ে চলে গেছে বহু দূরে।

ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে ‘চায়ের রাজধানী’ শ্রীমঙ্গল প্রবেশ করলেই প্রথমেই চোখে পড়বে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুর চা-বাগান। এর কিছু দূরত্বের পথ পাড়ি দিলেই মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও চা-বাগানের প্রতিটি চা বৃক্ষ এই অতিথিকে নিঃশব্দে স্বাগত জানাবে।

বছরের পর বছর ধরে এখানকার বেশ কিছু চা বাগানের নজরকাড়া সৌন্দর্য গাড়িতে আসা পর্যটকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে চলেছে। এই উল্লেখযোগ্য পথটি পাড়ি দিতে সময় অনেকেই নিজেদের মোবাইলফোনে সেই চা ঘেরা সৌন্দর্যচিত্র ধারণ করতে কখনোই ভুলে যান না।

কিলোমিটারের পর কিলোমিটার এখানকার বিস্তৃত চা বাগান দেখে মনে হবে যেন পাহাড়ের ঢালে সবুজ গালিচা বিছানো রয়েছে।  এ পথ দিয়ে আপনার গাড়ি আরও এগোতে থাকলে ‘চায়ের দেশে স্বাগতম’ বলে এক ‘চা কন্যা’ ভাস্কর্য আপনাকে অভিবাদন জানাবে। চা বাগানের পাশেই চা ভাস্কর্য তাৎপর্যময় প্রেক্ষাপটে যেন রাঙ্গা।

চা বাগানের পাশেই রয়েছে রাবার বাগান। চা কর্তৃপক্ষ বহু বছর ধরে চা বাগানের চা অনুপোযোগী জায়গায় এই রাবার চাষ করে আসছে। এ রাবার গাছগুলোও নিজেদের মতো করে চা বাগানের সৌন্দর্যের পাশাপাশি নিজেদের ভিন্ন এক সৌন্দর্যে প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে। চা গাছের সারিবদ্ধ সৌন্দর্য আর টিলাঘেঁষে রাবার গাছের ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য দুটোই দুই ধরনের সৌন্দর্যে ভরা।

চা বাগান নাকি রাবার বাগান? নাকি দুটোই? কার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবেন আপনি, এই বিষয় ভাবনায় কিছুটা টেনশনে পড়ে যাবেন আপনি। বিস্মিত হয়ে আপনি চালককে তৎক্ষণাৎ গাড়ি থাকতে বলবেন। একাধিক ক্লিক আর ক্লিকে ভরে উঠবে আপনার ব্যক্তিগত ডিভাইস।

আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুপরিজনের সাথে যেই মধুময় দৃশ্য স্মৃতি ভাগাভাগি করতে আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবিগুলো আপলোড করতে ভুল হবে না আপনার। আপনি প্রকৃতিপ্রেমী। আপনি চান – এভাবেই দেশের সুন্দর সুন্দর স্থানে দৃশ্যগুলো ভ্রমণপিপাসু মানুষের মাঝে দ্রুত সুন্দরভাবে ছড়িয়ে পড়ুক।

বাংলাদেশীয় চা সংসদের (বিসিএস) সিলেট ব্রাঞ্চ চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র টি-প্ল্যান্টার জিএম শিবলি বলেন, অধিক সংখ্যক চা বাগান আর বাংলাদেশের চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে হওয়ায় ‘চায়ের রাজধানী’ নামটা শ্রীমঙ্গলের সঙ্গে জুড়ে গেছে। এর টানেই দেশের নানা জায়গার পর্যটকরা শ্রীমঙ্গল আসছেন। তবে অনুমিত ছাড়া পর্যটকরা আমাদের চা বাগানের সেকশনে দলগতভাবে প্রবেশ করে অনেক সময়ই নানা ধরনের ক্ষতি করেছেন। অনুমতির বিষয়টি নেওয়া থাকলে কারোই সমস্যা হয় না।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস