রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন ভিনির জোড়া গোলে স্কটল্যান্ড বিধ্বস্ত, গ্রুপ সেরা ব্রাজিল আগামী দিনে দেশে চীনের বিপুল বিনিয়োগ দেখা যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহায়তা চায় ঢাকা রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের প্রস্তাব ইরানের ইরানের তেল রফতানিতে ৬০ দিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রাতে সিলেট ছাড়ছেন সারওয়ার, ডিসির দায়িত্বে পিংকি সাহা শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ৪ দিনেই প্রায় ১৮ লাখ টাকা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে পারুলের প্রার্থীতা ঘোষণা
Advertise with us

দীর্ঘ খরার পর স্বস্তির বৃষ্টিতে চা-বাগানে ফিরেছে প্রাণ

  |   মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১৮৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

দীর্ঘ খরার পর স্বস্তির বৃষ্টিতে চা-বাগানে ফিরেছে প্রাণ

ইউসুফ আহমদ ইমন, কুলাউড়া থেকে :: দীর্ঘ খরার পর সম্প্রতি পাওয়া কদিনের স্বস্তির বৃষ্টিতে জেলার ৯১টি চা-বাগান পেয়েছে প্রাণের ছোঁয়া, বাগানগুলো যেন নতুন করে জেগে উঠেছে। মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিতে জেলার কুলাউড়ার সবকটি চা-বাগানগুলোতে কচি কচি সবুজ পাতার মেলা শুরু হয়েছে। কোথাও দুইটি পাতা, কোথাও একটি কুঁড়ি চা গাছে ফিরেছে নতুন জীবনের বার্তা।

কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, রাজনগর, জুড়ী, বড়লেখা ও সদর উপজেলায় ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৯১টি চা-বাগান যেন বিগত খরার কষ্ট ভুলে ধীরে ধীরে ফিরছে ছন্দে। টানা তাপপ্রবাহে বিবর্ণ হয়ে যাওয়া পাতাগুলো এখন সবুজে সেজেছে, পাতায় পাতায় জমেছে বৃষ্টির ফোঁটা আর শ্রমিকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

চা গাছে নতুন পাতা গজাতে বড় বাগানগুলো কৃত্রিমভাবে পানি ছিটালেও প্রকৃতির সজীব স্পর্শ এতটা কার্যকর ছিল না। কিন্তু কয়েক দিনের বৃষ্টিতে যা হয়নি মাসের পর মাস তা ঘটে গেছে মুহূর্তে। শ্রমিকেরা এখন ব্যস্ত নতুন পাতা সংগ্রহে, আর বাগান কর্তৃপক্ষও ফিরে পেয়েছে আশার আলো।

তবে সহজ ছিল না এই পথ। মৌসুমের শুরুতেই তীব্র খরা ও লাল রোগের আক্রমণে চা উৎপাদনে দেখা দিয়েছিল বড় ধাক্কা। ২০২৪ সালে চায়ের উৎপাদন ৯৩ মিলিয়ন কেজিতে এসে ঠেকেছিল, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০৩ মিলিয়ন কেজি। চলতি বছরও একই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও খরার কারণে তা অর্জন নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা।

চা মূলত প্রকৃতিনির্ভর একটি কৃষিপণ্য। পরিমিত বৃষ্টি ও সঠিক তাপমাত্রা না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফলন মেলে না। চলতি বছরের শুরু থেকেই গাছ ছাঁটাইয়ের কাজ চলায় বাগানে ছিল একরকম শুষ্কতা। আর সেই সঙ্গে খরার কারণে গাছগুলোতে পাতার অভাব ছিল স্পষ্ট। পোকামাকড়ের আক্রমণও ছিল নতুন সংকট।

এই অবস্থায় কয়েক দিনের পরিপূর্ণ বৃষ্টিই যেন আশার বীজ বপন করেছে। জাতীয় টি কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শফিকুর রহমান মুন্না বলেন, বৃষ্টিতে বাগানগুলো যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত কৃত্রিম সেচের প্রয়োজন নেই, ফলে খরচও অনেকটা কমে এসেছে। তবে মৌসুমের শুরুতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

এখন চোখ প্রকৃতির দিকে। যদি প্রকৃতি সহায় থাকে, তাহলে মৌলভীবাজারের চায়ের কাপ আবারও হতে পারে সাফল্যের প্রতীক।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস