মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি ইংল্যান্ড সফরকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন জ্যোতি কুলাউড়ার কালিটি চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ কুলাউড়ায় কৃষকের মাঝে গাছের চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক কেন নয়: হাই কোর্টের রুল সিলেটে হামে শিশু মৃত্যু থামছেই না, প্রাণ গেল আরও দু’জনের নারী-কাণ্ডে জামায়াত থেকে বহিস্কার এমপি গাজী নজরুল এমপির তরুণী-কাণ্ড নিয়ে বিবৃতি: গণমাধ্যমের খবরের দিকে ‘নজর রাখছে’ জামায়াত জুলাইযোদ্ধার গেজেটে ১৩ ভুয়া ‘শহিদ’, ২২১ ‘যোদ্ধা’
Advertise with us

অ্যাম্বুলেন্স আছে চালক নেইঃসুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা

  |   সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১৪১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অ্যাম্বুলেন্স আছে চালক নেইঃসুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সিলেট জেলা শহর থেকে ৯১ কিলোমিটার দূরে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা সংকট দীর্ঘ দিনের।অ্যাম্বুলেন্স আছে অথচ চালক না থাকায় সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।নেই প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা কর্মীও।চিকিৎসা নিতে এসে অনেকেই সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে অসুস্থ হয়ে পড়ে।ফলে তাদের সিলেট শহরে চিকিৎসার জন্য যেতে হয়।

জানা গেছে,জকিগঞ্জ উপজেলার তিন লাখ অধিবাসী ছাড়াও কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলার অনেক মানুষ সেবা নিতে আসে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।অথচ এখানে চিকিৎসকের ১০টি,সেবিকার ছয়টি,কর্মচারীর ছয়টি,ফার্মাসিস্টের চারটি ও ঝাড়ুদারের তিনটি পদ শূন্য রয়েছে।নেই গাইনি চিকিৎসকও।ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন প্রসূতি রোগীরা।ল্যাব নেই,নেই টেকনিশিয়ানও।বিশুদ্ধ পানি ও টয়লেটের সমস্যা প্রকট।

১৯৮১ সালে নির্মিত ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আজও ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়নি।সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সিলেটে বসে তা উদ্বোধনও করেছেন। কিন্তু নতুন পদ সৃষ্টি না হওয়ার কারণে ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ৫০ শয্যায় উন্নীত হতে পারেনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।এটি ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হলেও প্রতিদিন ভর্তি হয় ৫০-৬০ জন রোগী।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে,নির্ধারিত পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দায় রয়েছেন ২৬-২৭ জন রোগী।এর মধ্যে অর্ধেকেই থাকার জন্য পাননি শয্যা।মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে তাঁদের।মাত্রাতিরিক্ত রোগীর শয্যা ও খাবার দিতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে।

এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন পর একটি অ্যাম্বুলেন্স স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিলেও চালক না থাকায় সেটি বন্ধ রয়েছে।এ ছাড়া থাকে না পর্যাপ্ত ওষুধও।ড্রেনেজ সমস্যায় পানি ও মল আটকে থাকে।দূষিত হয় পরিবেশ।

এ উপজেলায় একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে কোনো চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি আজও।ফলে আধুনিক চিকিৎসার বিপরীতে হাতুড়ে ডাক্তার,ঝাড়-ফুঁক,তেলপড়া,পানিপড়াই যেন এ অবহেলিত জনপদের ভরসা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী নীলিমা রানি বলেন,ইনো (এখানে) আইছিলাম বালা অইতাম।টয়লেটের ময়লার কারণে দুই দিন টয়লেট না করিয়া অসুস্থ অইয়া বাড়িত আইছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আব্দুল আহাদ বলেন,প্রতিদিন গড়ে দুই-আড়াই শ রোগী সেবা নিতে আসেন।ভর্তি হচ্ছেন ৬০-৬৫ জন।হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ১৫টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে।জেলা সদর থেকে বহু দূরে অবস্থিত হওয়ার কারণে রোগীর চাপ থাকে বেশি।কিন্তু জনবল সংকট ও প্রয়োজনীয় শয্যার অভাবে স্থান দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়।বহুবিধ সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন ১৯ শয্যার একটি ভবন নির্মাণ করা হলেও অনুমোদন না পাওয়ায় চালু হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস