শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ | ৮ কার্তিক, ১৪৩৩

Advertise with us
আপডেট
মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা: হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে প্রাণ গেল দুই তরুণের ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রভাষক ফাহাদ চৌধুরী জুড়ীতে ছাত্রলীগের মিছিলের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কিশোর রায় গ্রেপ্তার চা বাগান থেকে হার্ভার্ডে, ২ কোটি টাকার স্কলারশিপ পেলেন শান্তা যাদব রাশিয়ায় সহস্রাধিক ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের হামলা ‘ইশরাক পিস্তল উঁচিয়ে যে দৃশ্যের অবতারণা করেছেন, তা ত্রাসের রাজত্ব’ সেই বিকৃত ভিডিও নিয়ে যা বললেন পরীমনি ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের সংবাদ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘যত দ্রুত সম্ভব’ ৬৬৬ কোটি টাকার বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ
Advertise with us

শায়েস্তাগঞ্জে বন্য শুকরের উৎপাতে দিশেহারা কৃষকরা

  |   শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২০   |   প্রিন্ট   |   ৮১১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

শায়েস্তাগঞ্জে বন্য শুকরের উৎপাতে দিশেহারা কৃষকরা

শায়েস্তাগঞ্জ  প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং অঞ্চলে বন্য শুকরের উৎপাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত ৪-৫ মাস ধরে একটানা বিভিন্ন উপায়ে মানুষের ক্ষতি করে যাচ্ছে শুকররা। একের পর এক জমির পাকা ধান খেয়ে সাবাড় করছে তারা। এদের উৎপাত থেকে বাঁচার জন্য কৃষকরা রাতের বেলা প্রতিটি জমিতে আলোর মশাল জ্বালিয়ে রাখেন, যেন শুকররা জমিতে এসে হানা না দেয়। কারণ কোনো কোনো শুকর আগুন দেখলে ভয় পায়।

জানা গেছে, রাত হলেই পাহাড় থেকে খাদ্যের সন্ধানে দল বেঁধে গ্রামে, কখনোবা ধান ক্ষেতে এসে হানা দেয় শুকররা। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই, পুরাসুন্দা ও লাদিয়া গ্রামে তাদের উৎপাত বেশি। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসী।

এদিকে কৃষকদের শেষ সম্বল পাকা ধান হারিয়ে অনেকেই হতাশ ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এর আগে শুকররা নতুন বাঁশের চারা, কৃষিজমির নানারকম ফসলাদির সাবাড় করছিল। বন্য শুকরের ভয়ে শিশুরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারে না। অনেক গ্রামে ঢুকে খাদ্য না পেলে রাতের আঁধারে মানুষের ঘরে ঢোকার চেষ্টাও করে থাকে।

সুরাবই গ্রামের আব্দুর রহিম জজুম হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘বন্য শুকর খুবই হিংস্র প্রাণী। এদের থেকে বাঁচার পথ দেখছি না।’

সুরাবই গ্রামের মো. তওহিদ মিয়া বলেন, ‘গ্রামের পাশেই পাহাড় থাকায় এদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এদের জন্য আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি আমরা। আমার দুই একর পাকা ধান নষ্ট করেছে। এমনকি ধানের খড়ও রেখে যায়নি শুকররা।’

একই গ্রামের হেলিম মিয়া বলেন, ‘আমি বর্গা জমিতে ধান চাষ করি। আমার দেড় একর পাকা ধান খেয়ে ফেলেছে। আমি এখন কী খেয়ে বেঁচে থাকব?’

সুতাং অঞ্চলে কমপক্ষে ৫০ একর পাকা ধানের ক্ষতি করেছে শুকররা। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার মানুষকে না খেয়ে থাকতে হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৮-১০ বছর আগে সুরাবই গ্রামে একবার শুকর হানা দিয়েছিল। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় রাইফেল দিয়ে গুলি করে একটি শুকর হত্যা করা হয়েছিল। স্থানীয় কেউ কেউ মনে করছেন, পাহাড়ে শুকরদের খাদ্যের ঘাটতি থাকায় তারা খাবারের সন্ধানে এসে গ্রামে হানা দেয়। আবার অনেকে মনে করছেন এটা তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষকে এর ফল ভোগ করতে হবে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ বন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএফও মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, হয়তো বনে খাদ্য কমে গেছে, তাই তারা হানা দেয়। এদেরকে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ডর-ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিতে হবে। সরকার থেকে আবার এদেরকে রক্ষা করার জন্য নির্দেশ রয়েছে। তবুও সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য তিনি এ বিষয়ে হবিগঞ্জ রেঞ্জ কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন বলে জানান।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 ১২
৩৪৫৭৮৯
১০১১১১৩৪১৫১৬
১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৯৩০
৩১ 

ফলো করুন 24todaynews.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী
অফিস