সিলেটে শীতকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে!

বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ১০:৫৬ অপরাহ্ণ | 285

সিলেটে শীতকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে!
ফাইল ছবি

সিলেটসহ মৌলভীবাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া। ফলে শীতকালীন সবজি ক্রেতাদের চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে। প্রায় প্রতিটি সবজির দামই ৪০ থেকে ৬০ টাকার উপরে।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিকালে নগরের কয়েকটি প্রধান কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায় শীতকালীন সবজি ক্রেতারা চড়া মূল্যে ক্রয় করছেন। এদিকে নগরীর সোবহানিঘাট কাঁচাবাজার, বন্দরবাজার, লালবাজার, মদীনা মার্কেট, শিবগঞ্জ ও আম্বরখানা কাঁচা বাজারে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা যায়। বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কেজি শিম ৬০, বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৫৫, বেগুন ৫০ থেকে ৬০, ছোট বেগুন ৮০ থেকে ১০০, লাউ ৩০ থেকে ৬০, মিষ্টিকুমড়া ৩৫ থেকে ৪০, আলু ১৮ থেকে ২৫, ঢেঁড়শ ৪০ থেকে ৫০, পটোল ৪০ থেকে ৪৫, গাজর ১০০, বরবটি ৬০ থেকে ৭০, করলা ৬০ ও টমেটো ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।



সিলেট নগরীর মদীনা মার্কেট এলাকার বাসিন্দা ইসহাক আহমদ বলেন, `শীতকালীন সবজির দাম বাজরে অনেক বেশি। আমাদের দেশ কৃষি নির্বর। কিন্তু কৃষি কাজে সরকারে ভূর্তকি না থাকায় কৃষকরা শীতকালীন সবজি কম ফলাচ্ছে। অপরদিকে শীতকালীন সবজির চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু ফলন বাড়ছে না।’

তিনি আরো বলেন, `চাষিরা শীতকালীন সবজি উৎপাদন করে তখন সরকার থেকে পর্যাপ্ত ভর্তুকি পায় না ফলে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হয়। ফলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিজের পকেটের টাকা খুইয়ে চাষিরা উৎপাদন করে খাওয়াবে এমন তো হতে পারে না।’

এ বিষয়ে সোবহানিঘাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা আফজল আলী বলেন, ‘বাজারে সবজির সরবরাহ আছে, দাম এখনো কমেনি। আগামী সপ্তাহ থেকে দাম কমতে শুরু করবে।’

এদিকে বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) মাছের বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ (এক কেজি ওজন) বিক্রি হয় ৭৫০ থেকে ৯০০, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৮০০, রুই ২৫০ থেকে ২৮০, লইট্যা ১২০ থেকে ১৪০, রূপচাঁদা ৪৫০ থেকে ৬০০, কাতল ২৬০ থেকে ২৮০ ও নাইলটিকা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়। তাছাড়া মুরগির বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা যায়। বাজারে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২২০, দেশি ৩৮০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সিলেট উপশহর এলাকার বাসিন্দা শামসুল হক বলেন, `আমাদের পণ্য নিজেদেরকে উৎপাদন করতে হবে। নিজেদের পণ্য নিজেদের কিনতে হবে। দেশীয় পণ্যকে সুরক্ষা দিতে সরকারকে নীতিমালা করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, `আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে। দুই টাকা বেশি দিয়ে দেশী পণ্য কিনতে হবে। আমরা দুই টাকা বাঁচানোর জন্য বাইরে থেকে আমদানিকৃত পণ্য কিনি। আর পরবর্তীতে যখন তাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাই, তারা দাম বাড়িয়ে দেয় অথবা রপ্তানি বন্ধ করে আমাদের বাজারকে অস্থিতিশীল করে দেয়। তখন হাউমাউ করি। তাই আমাদের দেশে পণ্য উৎপাদন বাড়তে হবে।’

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com