আপডেট

x


মেঘনার তীর সংরক্ষণে একনেকে উঠছে তিন হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

সোমবার, ৩১ মে ২০২১ | ১:২৪ অপরাহ্ণ | 31

মেঘনার তীর সংরক্ষণে একনেকে উঠছে তিন হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নিউজ ডেস্ক:: মেঘনা নদীর বাম তীরে বরাবর ভাঙন কবলিত ৩১ কিলোমিটারে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ দিতে প্রায় ৩ হাজার ৯০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। একনেক কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগর উপজেলাধীন বড়খেরী ও লুধুয়াবাজার এবং কাদের পন্ডিতের হাট এলাকা ভাঙন হতে রক্ষাকল্পে মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। একনেকে অনুমোদনের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন ২০২৫ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।



কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছর ২৫০ থেকে ৩০০ মিটার নদী ভাঙনের কবল থেকে এলাকাকে রক্ষা করা হবে। নদী ভাঙন থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পোল্ডার নং ৫৯/২ এবং ৫৯/২ (সম্প্রসারণ) এর বাঁধও রক্ষা করা হবে। মেঘনা নদীর বাম তীর বরাবর ভাঙন কবলিত ৩১.৩২৬ কিলোমিটার স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগর উপজেলাধীন কৃষি জমি, বাজার, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, সড়ক ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো রক্ষা করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। নদী ভাঙন রোধের মাধ্যমে আনুমানিক ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ২২০ কোটি টাকার বিভিন্ন অবকাঠামো রক্ষাসহ রামগতি ও কমলনগর উপজেলাধীন প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর এলাকা পরিবেশগত উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা হবে।

একনেক কার্যপত্রে দেখা গেছে, প্রকল্পটি চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় পানি সম্পদ সেক্টরের অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে- নদী তীর সংরক্ষণ, যার সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমগুলো হচ্ছে- নদী তীর সংরক্ষণ কাজ ৩১.৩২৬ কিলোমিটার, রেগুলেটর নির্মাণ ১৮টি, ড্রেনেজ আউটলেট নির্মাণ দুইটি, বনায়ন ১২ হাজার ১১৬টি।

কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস সদস্য (সচিব) পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় অবস্থিত কৃষি জমি, বাজার, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, সড়ক ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো নদী ভাঙন হতে রক্ষা করে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর এলাকায় জলোচ্ছ্বাস ও জোয়ারের পানি প্রবেশ রোধ করে ফসল উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। এজন্য প্রকল্পটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com