মাধবপুরে নির্মাণের ৮ বছরেও চালু হয়নি মহিলা মার্কেট

রবিবার, ০৭ মে ২০২৩ | ১০:৩৫ অপরাহ্ণ | 109

মাধবপুরে নির্মাণের ৮ বছরেও চালু হয়নি মহিলা মার্কেট

উন্নয়ন আর নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ও চৌমুহনী ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছিল মহিলা মার্কেট ওমেন্স কর্নার)। উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের চেষ্টায় গ্রামীণ নারীরা স্বাবলম্বী হবেন। পুরুষদের পাশাপাশি ব্যবসা করে হয়ে উঠবেন উদ্যোক্তা। আর এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে স্বাবলম্বী হবে।

কিন্তু নির্মাণের ৮ বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত হস্তান্তর করা হয়নি মহিলা মার্কেটটি। এদিকে মার্কেটটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে-থাকতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে সরকারি উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের হতদরিদ্র নিম্ন আয়ের নারীদের উন্নয়নের জন্য সরকার মাধবপুর উপজেলায় এলজিইডি বিভাগের অধীনে গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে গোলাম ফারুক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়। অফিস কার্যাদেশ নিয়ে ১৯ লক্ষ ৩৩ হাজার ২৪৯ টাকা ব্যয়ে নোয়াপাড়া বাজারে ভবন নির্মাণ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কাছে ভবনের কাজ বুঝিয়ে দিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করে।

অপরদিকে এলজিইডি বিভাগের অধীনে গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মেসার্স মুক্বুল কনস্ট্রাকশন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়। তারা কার্যাদেশ নিয়ে ১৯ লক্ষ ৫২ হাজার ২ শত ৫০ টাকা ব্যয়ে চৌমুহনী বাজারে মহিলা মার্কেট ভবন নির্মাণ করে দেন। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কাছে ভবনের কাজ বুঝিয়ে দিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করেন।

মাধবপুর উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মার্কেট দুটি বাজার কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু আট বছর পার হলেও ভবনের রুমগুলো সুবিধাভোগীদের কাছে হস্তান্তর হয়নি। সুবিধাভোগীরা ঘর বরাদ্দ পাওয়ার আশায় সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে ধর্না দিয়ে আসলেও পাচ্ছে না বরাদ্দের ঘর। কবে পাবেন তাও কেউ জানে না।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান জানান, এতদিন ধরে এই মার্কেটগুলো কেন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীকে বলব, কেন এতদিন ধরে মার্কেট বুঝিয়ে দিয়ে কার্যক্রম চালু হচ্ছে না। এর মূল কারণ কী।

মার্কেটগুলো খুব শীঘ্রই চালু করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখব, কেন মার্কেট দুটি বুঝিয়ে দেওয়ার পরও চালু হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে চৌমুহনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ জানান, এই বিষয়ে আমি উপজেলা মাসিক মিটিংয়ে বলেছি। কেন দেওয়া হচ্ছে না। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারব না। কিন্তু আমার জোর দাবি অতি শীঘ্রই মার্কেটটি যেন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল জানান, দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহার হচ্ছে না। আমি পরিষদে নতুন এসেছি খোঁজ নিয়ে দেখব কেন চালু হচ্ছে না। তবে আমিও চাই এই মার্কেটটি চালু হোক।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

Development by: webnewsdesign.com